আবারো ফিরিয়া আনা হোক!
ডোরেমন- একটা কার্টুনই নয়, বরং হাজারো শৈশবের রূপকথা, আবেগ-অনুভূতির প্রকাশ এটি। ছোটবেলায় ডোরেমন- নবিতাদের দেখে বড় হয়নি এমন ছেলে/মেয়ে খুজে পাওয়া মুশকিল। স্কুল থেকে এসে হাঙ্গামা বা ডিস্নেপ চালু করে বার বার এড আসলে অপেক্ষা করার পর এপিসোড, কিংবা সপ্তাহে একই মুভির বারবার দেখার মজা- এটা একটা অন্যরকম অনুভূতি। এখন বেশিরভাগই ইউটিউবে কপিরাইটেড চ্যানেল থেকেই বা ক্র্যাক ওয়েবসাইট থেকে এপিসোড বা মুভি দেখতে হয়। এই কার্টুনপ্রীতি জন্মেছে শুধুমাত্র এই কাহিনি, চরিত্র ও সুন্দর সৃজনশীলতার প্রকাশের কারণে।
তবে, বর্তমানে টেলিভিশনের চ্যানেল খুললে সেই চিরচেনা কার্টুনটি দেখাই যায় না। কিংবা, ইউটিউব বা অন্যান্য ভিডিওপ্লেপ্যাক মিডীয়া দেও অফিসিয়াল ডোরেমনের কোনো প্রোফাইল বা চ্যানেল নেই, যেখানে নিয়মিত প্রচার হয়। জাপানে যদিও টিভিতে কিছু চ্যানেলে নিয়মিত শো করা হচ্ছে, তবে আমাদের দেশে কোনো ডিটিএইচ/ ডিশ লাইনে ডোরেমনের হদিস নেই।
এই যে আমরা ডোরেমনের এতো পাগলা ভক্ত, ফ্যান্সক্লাব-গ্রুপ খুলে বসে আছি, সারাদিন সময় পাস করছি ঐসব ফেসবুকের ভাইরাল টপিক নিয়ে। কেও আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরে কি হবে- তা নিয়ে লিখছে, কেও আবার মুরুব্বি নিয়ে কথা তুলছে। তবে বর্তমানে শিশু-কিশোররা যে দেখার মতন ভালো কন্টেন্টগুলা পাচ্ছে না, সেগুলো কারও মাথায় নেই। হ্যা, কিছু এনিম্যেতে শিক্ষামূলক কিছুই থাকে না। তবে ডোরেমন টাইপের কার্টুবে শেখার অনেক কিছুই আছে।
আমরা চাইলেই এটাকে আবারও ফিরিয়ে আনতে পারি। এর জন্য খুব কঠিন কিছু করতে হবে না। সোশাল মিডিয়াতে এই বিষয়ে কথা তুলতে পারলেই হবে। ডিস বা ডিটিএইচ (আকাশ) তাদের কানে পৌছাতে হবে। হোক পাইরেটেড, বা যেমনই হোক। আগের এপিসোড হোক বা যেটাই হোক। ডিস্নেপ বা ডোরেমনের সরাসরি সম্প্রচার হয়, এমন চ্যানেল সংযুক্ত করা কোনো ব্যাপারই না। ডিশ বা ডিটিএইচ সাপ্লাইয়ার রা সহজেই এগুলো পারবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাহলে কেও এখনো চ্যানেলগুলোকে ফিরিয়ে আনছে না কেনো?
উত্তর সহজ, কেও উদ্যোগ গ্রহণই করছে না। সকলে মিলে এই বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ হলে, আমাদের আবেগ-অনুভূতির এর স্মৃতিভরা ডোরেমন-নবিতা-জিয়ান-সুনিও-সিজুকাদের ফিরাতে পারবো।
সকলের সহযোগীতা কাম্য।


0 Comments